নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একটি জলাশয় বা পুকুর নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিপক্ষ দলের অতর্কিত মারধরে ত্রিশ বছর বয়সী এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। এই রক্তক্ষয়মূলক সহিংসতার ঘটনায় জুয়েল আহমদ নামের আটাশ বছর বয়সি এক যুবককে হেফাজতে নিয়েছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নিহত ও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। জানা গেছে, এই আকস্মিক ও সহিংস হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে জাহাঙ্গীর আলম নামের আরও একজন ব্যক্তি মারাত্মকভাবে আহত হন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত রোববার দিবাগত গভীর রাতে অর্থাৎ রাত একটার সময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুপরিরপাড় গ্রামে এই হামলার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পূর্বনির্ধারিত বা তৎক্ষণাৎ সৃষ্ট কোনো বিরোধের জের ধরেই মূলত প্রতিপক্ষ পক্ষীয় লোকজন ধারালো বা ভারী অস্ত্র কিংবা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় আক্তার হোসেনকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে, ঠিক ভোর পাঁচটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।
নিহত হওয়া আক্তার হোসেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুপরিরপাড় গ্রামের কালা মিয়ার সন্তান। অন্যদিকে, এই ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক হওয়া জুয়েল আহমদ একই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং সম্পর্কে আক্তারের চাচাতো ভাই।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর