ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক এক কর্মকর্তার কারাদণ্ড ও জরিমানা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 28, 2026 ইং
গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক এক কর্মকর্তার কারাদণ্ড ও জরিমানা ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের একটি চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মামলায় এক সাবেক কর্মকর্তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এই জনগুরুত্বপূর্ণ রায় প্রদান করেন।

তবে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য দুই অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সম্পূর্ণভাবে খালাস দেওয়া হয়েছে। আদালতের বিচারক এই রায়ে যাঁদের অব্যাহতি দিয়েছেন, তাঁরা হলেন গ্রামীণ ব্যাংকের ওই একই শাখার জ্যেষ্ঠ কেন্দ্র ব্যবস্থাপক সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং শাখা ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন।

রায় ঘোষণার সময় মামলার প্রধান সাজাপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন সশরীরে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারকের রায়ের পর আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে পুলিশ প্রহরায় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে যে অভিযোগের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছিল, তা থেকে জানা যায় যে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট শাখায় এই অপকর্ম সংঘটিত হয়। সেখানে সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম জ্যেষ্ঠ কেন্দ্র ব্যবস্থাপক এবং আনোয়ার হোসেন শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

অভিযোগের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০০৯ সালের আগস্ট মাস থেকে শুরু করে ২০১৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করেন। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এবং ভুয়া ঋণ বিতরণের মিথ্যা তথ্য তৈরি করে তারা ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন।

তদন্তে আরও প্রকাশ পায় যে, সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়মিত কিস্তির টাকা আদায় করা হলেও তা কালেকশন শিটে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হতো না। সংগৃহীত এই অর্থ ব্যাংকের নির্দিষ্ট হিসাবে জমা না দিয়ে নিজেদের পকেটে ভরতেন অভিযুক্তরা।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জন্মতারিখ সংশোধনে অনলাইন শিক্ষাসনদকে অগ্রাধিকার ইসি'র

জন্মতারিখ সংশোধনে অনলাইন শিক্ষাসনদকে অগ্রাধিকার ইসি'র