ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভোটকেন্দ্রে দক্ষ কর্মী ও নারী সহায়ক রাখার তাগিদ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 2, 2026 ইং
ভোটকেন্দ্রে দক্ষ কর্মী ও নারী সহায়ক রাখার তাগিদ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

নির্বাচনী কার্যক্রমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটারদের সাহায্যার্থে দক্ষ কর্মী বাহিনী রাখার তাগিদ দিয়েছেন সালমা মাহবুব। এই উদ্দেশ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজের পটভূমি আছে এমন জনবলকে প্রস্তুত করে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন করা বাঞ্ছনীয়। পাশাপাশি, নারী ভোটারদের বিশেষ প্রয়োজনের বিষয়টি মাথায় রেখে নারী সহায়ক কর্মীও নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।

ইফতেখার মাহমুদ, যিনি বি-স্ক্যানের প্রোগ্রাম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি মনে করিয়ে দেন যে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীও এই দেশের সাধারণ মানুষের মতোই সমান অধিকারের দাবিদার। ভোটদানসহ যাবতীয় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পূর্ণ আইনি অধিকার তাঁদের রয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

এই অধিকারগুলো সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য তাঁদের কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং নীতিনির্ধারণী রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তাঁদের সরাসরি উপস্থিতি ও নেতৃত্বও আবশ্যক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইফতেখার মাহমুদ আরও জানান যে, এই বিশেষ গোষ্ঠীটি অনেক দিন ধরেই নিজেদের না পাওয়ার কথাগুলো তুলে ধরছেন, কিন্তু সংঘবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় এখনো কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে। নিজেরা সংগঠন তৈরি ও তা পরিচালনা করাও তাঁদের জন্য একটি বড় ধরনের প্রতিকূলতা হিসেবে দেখা দেয়।

রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁদের যুক্ত হওয়ার অন্তরায়গুলো খুঁজে বের করে তা চিরতরে দূর করতে হবে। তাঁদের প্রতি কোনো ধরনের করুণা বা দয়া না দেখিয়ে, সমমর্যাদাসম্পন্ন পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত বলে তিনি মত দেন।

পুরো কর্মশালাটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন গবেষক ও গণমাধ্যম বিশ্লেষক নাজিয়া আফরিন মোনামী এবং পরিচিত দৈনিকের নারী পাতার সম্পাদক রাবেয়া বেবী। অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি পর্বে সমাপনী বক্তব্য পেশ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সদস্য সিমোনা কামোলিনি।

উক্ত আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্দিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক আনাস্তাসিয়া এস উইবাওয়া, প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক রোকসানা হক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান রাকীবসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সংস্থাটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, গণমাধ্যমগুলোতে এই শ্রেণির নির্বাচনী অংশগ্রহণকে দয়া বা করুণার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখে মৌলিক মানবাধিকার ও সমতার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রচার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সচেতন ও সব অংশীদারিত্বমূলক গণমাধ্যমচর্চা এই জনগোষ্ঠীর সুষ্ঠু অংশগ্রহণ এবং সম্মানজনক উপস্থিতি ফুটিয়ে তুলতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তিস্তা সীমান্তে পুশইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

তিস্তা সীমান্তে পুশইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি